ছাতক প্রতিনিধিঃ
ছাতকে দক্ষিন খুরমা ইউনিয়নের মর্য্যাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে গ্রামবাসির দু`পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
এ কমিটি বৈধতা নিয়ে গ্রামবাসির মধ্যে গত বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনা নিয়ে ভয়াবহ সংযষের আশংকা বিরাজ করছেন গ্রামবাসি ।
জানা যায়,সরকারী প্রজ্ঞাপন ‘নীতিমালা অনুযায়ী এলাকাবাসি সকল শ্রেনীর মানুষের মতামত নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান কমিটি গঠন করেন। এ গঠনকৃত কমিটি গত ১০জানুয়ারি উপজেলার পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান,উপজেলা প্রাথমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মাসুম মিঞ্চা অনুমোদিত দেয়ার সময় ইউপি মেম্বার মোজ্জাকির হোসেন উপস্থিতি স্বাক্ষর দিয়েছেন । ১১সদস্যদের মধ্যে ৭টি ভোটে পেয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসাবে নিবাচিত হয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা সদস্য মাওলানা সামছুল ইসলাম। কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ তাকে মেনে স্বাক্ষর করেছে।
ম্যানেজিং কমিটি গঠনে স্বজন প্রীতি অনিয়ম এনে ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মুজাক্কির হোসেন বাদী হয়ে কমিটি শিক্ষা কমিটি অনুমোদন দেয়ার ২ দিন পর গত ১২ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গত ১৬জানুয়ারি সিলেট বিভাগে প্রাথমিক শিক্ষা উপ পরিচালক অধিদপ্তরে পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন মেম্বার মুজাক্কির হোসেন।
এব্যাপারে বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জমির হোসেন বলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা সদস্য,গ্রামের সন্তান। পালপুর উচ্চ বিদ্যালয় দীঘদিন ধরেই শিক্ষক প্রতিনিধি এ প্রতিষ্টানে ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এছাড়া তার অভিযোগে বাস্তবে তা মিল নেই। সরকারী প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়।
এব্যাপারে নিবাচিত কমিটির সভাপতি মাওলানা সামছুল ইসলাম জানান,অভিযোগকারি বাবা আব্দুস চোবহান একজন ডাকাত ছিলো। সে ছাতকে কাদির ডাকাত বাহিনীর অন্যতম সহযোগি ছিলেন। ডাকাতির প্রস্ততি কালে পুলিশ অস্ত্রসহ তার বাবাকে নিজ গ্রামের গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় তার বাবার বিরুদ্ধে আমি স্বাক্ষি দেয়ায় ১৫ বছর সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে। এ পর থেকে আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার করছে আসছে বিভিন্ন স্থানে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) মাসুম মিঞ্চা জানান, প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৈধভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। সর্বসম্মতি ক্রমেই সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে।##
Leave a Reply