সুনামগঞ্জ-৫ আসনের
ভোটারদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকীর মনোনয়ন বাতিল। সমালোচনার ঝড় !
ছাতক প্রতিনিধি,
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসন এখন চরম উত্তেজনা, অস্থিরতা ও রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রবিন্দুতে। এ সময় জেলা প্রশাসক
কাষ্যালয়ে মনোনয়ন পত্র বাছাই কমিটির ১ শতাংশ ভোটার তালিকার স্বাক্ষরের ভোটারদের জাল জালিয়াতি ও গড়মিল থাকায় অভিযোগে
মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকীর মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনা করায় জেলাজুড়েই ব্যাপক সমালোচনা ও নিন্দা ঝড় বইছে।
বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বুরাইয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী ১ শতাংশ ভোটার তালিকার স্বাক্ষরে ব্যাপক,গড়মিল জাল জালিয়াতির অভিযোগের থাকায় মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী’র মনোনয়ন অবৈধ বা বাতিল ঘোষণা করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড,মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া।
সিলেটের বিখ্যাত আলেম ও সুফি আল্লামা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলীর হাতে গড়া সংগঠনটির পক্ষে মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকীকে সুনামগঞ্জ ৫ আসনের ছাতক দোয়ারাবাজারে
প্রার্থী দেয়া হয়। একই ইউনিয়নের দুজন প্রার্থী হওয়ায় দোলারবাজার ইউনিয়নে ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি কৌতূহল। দক্ষিণ ছাতকের দোলারবাজার ইউনিয়নের চেলারপাড়, কল্যাণপুর —এই দুটি গ্রাম থেকেই নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন দুই রাজনৈতিক ব্যক্তি, যার মধ্যে দুজন ইসলামী সংগঠনভুক্ত অভিজ্ঞ আলেম। প্রার্থীরা হলেন—মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, গোবিন্দনগর ফজলিয়া সিনিয়র আলীয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ, সিলেটের জামায়াতে ইসলামীর সুরা সদস্য ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনে দলীয় প্রার্থী অপরজন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বুরাইয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী। সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আল্লামা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণায় জেলাজুড়েই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দক্ষিন ছাতকে আল ইসলাহের সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা কদ্দুছ আমিন জানান একজন আলেম বিরুদ্ধে জালিয়াতি,প্রতারনা,দাদন ব্যবসা করাসহ নানা অভিযোগের ঘটনায অভিযুক্ত করে ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,শরিষপুর দাখিল মাদ্রাসা ১২জন শিক্ষককে জাল জালিয়াতি করে নিয়োগ করার ঘটনায় সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা চলামান রয়েছে। তার মতো লেজাবধারি ধোকাবাজ আলেম কারনে আজ সমাজ ধব্বংশ হচ্ছে।
জানা যায় গত ৩ জানুয়ারি যাচাই বাচাই করার সময় ভোটারদের সঙ্গে আলাপকালে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড,মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়ার স্বাক্ষর দেয়নি ভোটাররা অভিযোগ করেছেন।
তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যাদের স্বাক্ষর নিয়েছেন অনেককে কল করে স্বাক্ষর করেছেন কিনা এটা জিগ্যেস করা হলে তারা অস্বীকার করেন। এছাড়া অনেকেই সরেজমিনে এসে সাক্ষর না করেও তালিকায় অন্তভূক্ত করা হয়েছেন।
এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড,মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন জালিয়াতির অভিযোগে তাকে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
Leave a Reply